৩৮ টাকার ইনজেকশন ৫০০ টাকায়!

ঢাকা, ২ অক্টোবর বুধবারঃ নীতিমালা ভঙ্গ করে প্রায় বহুগুণ বেশি দামে ওষুধ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজধানী বাড্ডার একটি ফার্মেসির বিরুদ্ধে। বনানীর উত্তর বাড্ডা এলাকার ‘প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট ফার্মেসি’ নামের এই ফার্মেসিতে ৩৮ টাকার ইনজেকশন বিক্রি করা হয় ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা দামে। সোমা-জেক্ট নামের ইনজেকশনের প্যাকেটের গায়ে লেখা দাম ৩৮ টাকা। এ বিষয়ে প্রেসক্রিপশন পয়েন্টের পরিচালককে বিস্তারিত জানানোর পরও কোন সমাধান না মেলায় ক্যাবের কল সেন্টারে অভিযোগ জানিয়েছেন রাবেয়া সুলতানা রুমা নামের একজন ক্রেতা।

তিনি জানান, ‘গত ৬ই জুলাই ২০১৯ আমার ওভারিয়ান সিস্টের সমস্যার কারনে প্রেসক্রিপশন পয়েন্টে ডা. সেলিনা আকতারের কাছে যাই। তিনি আমাকে একটি ইনজেকশন পুশ করেন। এসময় তিনি রোগী দেখা ফী ১০০০ টাকা এবং ইনজেকশন ফী বাবদ আরো ৫০০ টাকা চার্জ রাখেন। একই ভাবে তিনি ১৩ই জুলাই সমস্ত ফী বাবদ ৭০০ টাকা, ২০ই জুলাই ৮০০ টাকা এবং ২৭ই জুলাই ৮০০ টাকা নেন। পরবর্তীতে আমি ১০ই আগস্ট আবার গেলে ডা. সেলিনা আকতারের দেখা না পেয়ে তাদেরই নিজস্ব ফার্মেসি থেকে ইনজেকশনটি কিনতে গেলে জানতে পারি বিগত সময়ে যে ৪টি  ইনজেকশন আমাকে পুশ করা হয় তার নাম ‘সোমা-জেক্ট’ এবং এর গায়ে দাম দেয়া ছিলো ৩৮ টাকা। ডা. সেলিনা আকতারের কাছে এর কারন জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এ ব্যাপারে প্রেসক্রিপশন পয়েন্টের পরিচালক রিয়াদ হোসেনকে জানালে তিনি এক দিনের সময় চান কিন্তু পরবর্তীতে আর কোনো প্রকার যোগাযোগ করেনি।’

উপায়ন্তর না পেয়ে রাবেয়া সুলতানা রুমা  কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব)-এর ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্র, কলসেন্টারে  অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি কলসেন্টারে কর্তৃক গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রমানাদি সংগ্রহ করে, নিয়মানুসারে এ বিষয়ে দ্রুত অভিযোগকারির পক্ষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ দায়ের করা হবে।